বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনেই শেষ পর্যায়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।।

 

 ভোট গ্রহণের নানা অভিযোগ তুলে আজ সোমবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১২ টার পর থেকে তারা একে একে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। দুপুর ১২ টার দিকে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার। এসময় তিনি, বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে জাল ভোট, এজেন্ট বের করে দেয়াসহ নানা অভিযোগ করেন। এরপর বরিশাল অশ্বিনী কুমার টাউনহলের সামনে সাংবাদিকদের সামনে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওবায়দুর রহমান মাহবুব। এছাড়া জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ভোট বর্জন করে ইসিতে ভোট স্থগিতের আবেদন জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জন করেছেন। অপরদিকে দুপুরে ভোটের নানা অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেন বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী। তিনি রিটানিং কার্যালয়ে কাছে লিছিত অভিযোগ দেয়ার পর সেখানে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এছাড়া সতন্ত্র প্রার্থী বশীর আহমেদ ঝুনু গত কয়েকদিন ধরেই নিষ্কিয় ভূমিকা নিয়েছেন। তবে ভোটের মাঠে রয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের ভোট বর্জনের বিষয়ে জানতে চাইলে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, বরিশালে সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে ভোট দিচ্ছেন জনতা। সকাল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা নিজেরা ভোট দিয়েছেন। পরে তারা বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে নৌকার গণজোয়ার আচ করতে পেরে হারার ভয়ে আগে থেকেই সড়ে যাচ্ছেন। ভোটের শেষ পর্যন্ত থাকার ঘোষণা দিয়ে সুযোগসন্ধানী এসব মুখোশধারী জনদরদীদের জনগণ প্রত্যাক্ষান করবে।

তারা আরো জানান, প্রচারণার শুরু থেকেই বিএনপির প্রার্থী সহ অন্য প্রার্থীরা নির্বাচনটিকে বানচাল করতে ভিত্তিহীন নানা অভিযোগ করে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করেছেন। হুমকি-ধামকিও দিয়েছেন। কিন্তু সফল হতে পারেনি। আর আজ সকাল থেকে নৌকার পক্ষে জনতার জোয়ার দেখে নতুন করে ষড়যন্ত্র করছেন তারা। তবে ভোটের মাধ্যমে তাদের সব ষড়যন্ত্র বানচাল করে দেবে বরিশালের জনতা। অভিযোগের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তাক্ষনিক ভাবে ওই সব কেন্দ্রে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটারা ভোট দিচ্ছেন। ভোট স্থগিতের মত কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। তবে ভোট নিয়ে কয়েকজন প্রাথৃীর অভিযোগ পেয়েছি। তদের অভিযোগগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে অভিযোগের বিষয়ে বিচার বিশ্লেষণ করা হবে। তারপর ‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ নেবো। এদিকে ভোটারদের ভোট নেয়া শেষ  চলছে গননার কাজ। একটু পরেই হবে ফলাফল প্রকাশ।   মোঃ রবিউল ইসলাম স্থানীয় রিপোর্টার. প্রভাত বাংলা//বরিশাল